হজের নিয়ম: শর্ত, ফরজ ও ওয়াজিব
সামর্থ্যবান প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ। হানাফি মাজহাবে এর ফরজ হলো ইহরাম (শর্ত হিসেবে), আরাফায় অবস্থান ও তাওয়াফে ইফাদা; মুজদালিফায় অবস্থান, সাঈ, কঙ্কর নিক্ষেপ, মাথা মুণ্ডন, তামাত্তু ও কিরানের কোরবানি এবং বিদায়ী তাওয়াফ ওয়াজিব। সৌদি নিয়মে সরকারি হজ অনুমতিও লাগে; অনুমতি ছাড়া হজ করা যায় না।
সর্বশেষ হালনাগাদ
হজ ফরজ হওয়ার শর্ত
- মুসলমান, প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্ক
- শারীরিক সামর্থ্য এবং সফর ও বাড়িতে নির্ভরশীলদের খরচের সামর্থ্য
- নিরাপদ পথ; নারীদের জন্য অনেক আলেমের মতে মাহরাম
ফরজ ও ওয়াজিব (হানাফি)
| ফরজ | ওয়াজিব |
|---|---|
| ইহরাম (শর্ত) আরাফায় অবস্থান তাওয়াফে ইফাদা | মুজদালিফায় অবস্থান সাঈ জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করা কোরবানি (তামাত্তু, কিরান) বিদায়ী তাওয়াফ |
সৌদি নিয়ম
- প্রত্যেক হজযাত্রীর নিজ দেশের ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি হজ অনুমতি লাগে; ভিজিট বা ওমরাহ ভিসায় হজ করা যায় না।
- দলকে দেওয়া তাঁবু ও কঙ্কর নিক্ষেপের সময়সূচি মেনে চলুন; ভিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতেই এগুলো।
নারী ও বয়স্ক হজযাত্রী
নারীরা রাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে পারেন বা অক্ষম হলে প্রতিনিধি নিযুক্ত করতে পারেন; বয়স্ক ও অসুস্থরাও কঙ্কর নিক্ষেপে প্রতিনিধি দিতে পারেন। ঋতুস্রাবকালে নারী তাওয়াফ ছাড়া সব আমল করবেন; পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ করবেন।
আরও গাইড
যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? দেখুন আমাদের হজ প্যাকেজ।
[পর্যালোচক: যে আলেম এই গাইড যাচাই করেছেন, তাঁর নাম ও যোগ্যতা যোগ করুন (পাতার Expert ঘরেও) — প্রকাশের আগে]