বাংলাদেশে হজ নিবন্ধন
বাংলাদেশে হজ নিবন্ধন হয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সরকারি হজ পোর্টালে দুই ধাপে: প্রাক-নিবন্ধন, যাতে একটি ক্রমিক নম্বর পাওয়া যায়, আর সেই নম্বর বছরের কোটার মধ্যে এলে প্যাকেজের টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা হাব-সদস্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধন করা যায়।
সর্বশেষ হালনাগাদ
- মেশিন রিডেবল বা ই-পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত রাখুন।
- হজ পোর্টালে, হজ অফিসে বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন করুন; প্রাক-নিবন্ধনের টাকা জমা দিন। [বর্তমান প্রাক-নিবন্ধন ফি ও পোর্টালের ঠিকানা — প্রকাশের আগে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত করুন]
- ট্র্যাকিং/ক্রমিক নম্বর সংরক্ষণ করুন; প্রতি বছরের কোটায় কোন নম্বরগুলো আসবে তা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে।
- ঘোষিত সময়ের মধ্যে সরকারি বা এজেন্সির প্যাকেজের টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
- বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণে অংশ নিন, টিকা নিন, তারপর ভিসা ও ফ্লাইটের তথ্য নিন।
সরকারি না বেসরকারি?
সরকারি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত মূল্যে পরিচালনা করে। বেসরকারি হজ হয় মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং হাবের (হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সদস্য এজেন্সির মাধ্যমে। টাকা দেওয়ার আগে সবসময় মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তালিকায় এজেন্সির লাইসেন্স যাচাই করুন।
আরও গাইড
যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? দেখুন আমাদের হজ প্যাকেজ।
[পর্যালোচক: যে আলেম এই গাইড যাচাই করেছেন, তাঁর নাম ও যোগ্যতা যোগ করুন (পাতার Expert ঘরেও) — প্রকাশের আগে]